ঢাকা২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থ বানিজ্য
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. এভিয়েশন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জব মার্কেট
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশবাংলা
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
বিজ্ঞাপন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আরসার কিলিং গ্রুপ কমান্ডার ও দুই সহযোগী অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুলাই ৩, ২০২৪ ২:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কক্সবাজারের উখিয়া থেকে আরসার কিলিং গ্রুপ কমান্ডার ও দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিদেশি জি-৩ রাইফেল ও দেশীয় অস্ত্র-গুলি।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) পালংখালীর রোহিঙ্গা বাজারের নিকটস্থ মরাগাছতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (৩ জুলাই) সকালে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- উখিয়া মধুছড়া ক্যাম্প-৪, ব্লক-ডি/৯ এর নজির আহম্মদের ছেলে হাফেজ কামাল (৩৫), তার দেহরক্ষী ব্লক-ডি/৩ এর মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে আনসার উল্লাহ (২০) ও ক্যাম্প-১৮, ব্লক-৮ এর বলি আমিনের ছেলে মোহাম্মদ সাইফুল।

লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্কের নাম আরসা সন্ত্রাসী গোষ্ঠি। এই সন্ত্রাসী সংগঠন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার ও প্রত্যাবাসনে বিঘ্ন ঘটানো, খুন, অপহরণ, ডাকাতি, মাদক, চাঁদাবাজি, অগ্নি-সংযোগসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের গোয়েন্দা শাখা ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব আরসার জোন ও কিলিং কমান্ডার হাফেজ কামালের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পায়।

এই তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়ার পালংখালীর রোহিঙ্গা বাজারের নিকটস্থ মরাগাছতলায় অভিযান পরিচালনা করে হাফেজ কামালের অন্যতম সহযোগী মোহাম্মদ সাইফুলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সাইফুলের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সূত্র ধরে র‌্যাবের চৌকস আভিযানিক দল ৬টার দিকে উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুনরায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আরসার জোন কমান্ডার হাফেজ কামাল ও তার দেহরক্ষী আনসার উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, ১টি দেশীয় তৈরি এলজি এবং ৭ রাউন্ড গুলি ও ১টি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে খুন ও অপহরণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।