ঢাকা২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থ বানিজ্য
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. এভিয়েশন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জব মার্কেট
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশবাংলা
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
বিজ্ঞাপন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উহানে ফের করোনার হানা, লকডাউনে ১০ লাখ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জুলাই ২৮, ২০২২ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চীনের উহানেই প্রথম শনাক্ত হয়েছিল করোনাভাইরাস। এরপর তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর রূপ নেয় মহামারিতে। দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই মহামারি এখনও শেষ হয়নি। উপরন্তু বিশ্বের অনেক দেশেই সম্প্রতি বেড়েছে সংক্রমণ।

আর এর মধ্যেই সেই উহানেই আবার হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। এরপরই সেখানে লকডাউন আরোপ করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। এতে করে ফের কঠোর বিধিনিষেধের বেড়াজালে আটকে পড়েছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের উহানের জিয়াংজিয়া জেলায় চারজন করোনা রোগী শনাক্তের পর সেখানকার বাসিন্দাদের তিন দিনের জন্য তাদের বাড়িতে বা আঙিনার ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা শনাক্ত হওয়া ওই চারজনই উপসর্গবিহীন।

করোনা মহামারির শুরু থেকে ‘জিরো কোভিড’ পলিসি অবলম্বন করে আসছে চীন। এই নীতির অধীনে কোনো এলাকায় একজন করোনায় আক্রান্ত হলেও গণভাবে সবার নমুনা পরীক্ষা, কঠোর আইসোলেশন নিয়ম, স্থানীয়ভাবে লকডাউন আরোপসহ বিভিন্ন কৌশল অনুসরণ করে দেশটি।

আর এর ফলে বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় চীনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনেক কম মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু চীনের এই ‘জিরো কোভিড’ পলিসি ক্রমবর্ধমান বিরোধিতার মুখোমুখি হচ্ছে। কারণ দেশটির মানুষ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বিধিনিষেধের চাপের ক্ষতির মুখে পড়ছে।

বিবিসি বলছে, নিয়মিত পরীক্ষায় চীনের উহানে দু’দিন আগে দু’টি উপসর্গবিহীন রোগী শনাক্ত হয়। এরপর কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে আরও দু’জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। আর এরপরই এক কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার শহরের একটি অংশে লকডাউন জারি করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। প্রথমে বলা হয়েছিল, উহান শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত হুনান সি-ফুড মার্কেট থেকেই প্রথম করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটে।

দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম যে ব্যক্তি মারা যান, তার ওই মার্কেটে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ৬১ বছর বয়স্ক ওই ব্যক্তি যখন মারা যান, তখনও এই রোগের নাম নির্দিষ্ট করা হয়নি। চীনের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘অপরিচিত ধরনের নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি।

তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, চীন থেকে গোটা বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তো একধাপ এগিয়ে গিয়ে কোভিড-১৯ কে ‘‘চীনা ভাইরাস’’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

যদিও, চীন এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দেশটির দাবি, করোনাভাইরাসের উত্‍‌স নির্দিষ্ট কোনো একটা জায়গা নয়। একাধিক উত্‍‌স থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। অবশ্য চীনের এই দাবির সঙ্গে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই একমত নয়।