ঢাকা৫ই মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থ বানিজ্য
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. এভিয়েশন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জব মার্কেট
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশবাংলা
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
বিজ্ঞাপন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খাবারের অ্যালার্জি বাড়াতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৬, ২০২৩ ২:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পছন্দের তালিকায় থাকলেও অনেকে চিংড়ি মুখে তুলতে পারেন না। শুরু হয় অ্যালার্জি। কেউবা আবার খেতে পারেন না ডিম। অনেক মানুষ নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি সংবেদনশীল বা অ্যালার্জিক হয়ে থাকেন। যেমন, অনেকে দুগ্ধজাত পণ্য হজম করতে পারেন না। অর্থাৎ তারা ল্যাকটোজ অ্যালার্জিক।

এখনও পর্যন্ত এমন সমস্যাগুলো কেবল হজম বা অ্যালার্জির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এর কারণে অন্য কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ কিছু তথ্য।

গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ মনে করা খাবারের অ্যালার্জি হৃদপিণ্ডের জন্যও মারাত্মক হতে পারে। অ্যালার্জি ও ক্লিনিক্যাল ইমিউনোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, যারা গরুর দুধ বা অন্যান্য খাবারের প্রতি অ্যালার্জিক বা হজম করতে পারেন না অন্যদের তুলনায় তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে।

খাবারে অ্যালার্জি কী?

এমন অনেকেরই হয় যে কিছু খাবার খাওয়ার পর পেটে ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া, গ্যাস্ট্রিক, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা বমি হওয়ার মতো সমস্যা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে সেই খাবারে অ্যালার্জি বা খাবার অ্যালার্জিক বা হজম করতে পারেন না— বলা হয়।

খাবার অ্যালার্জি হলে, ইমিউন সিস্টেম প্রতিক্রিয়া দেখায়। ফলে ত্বক ফোলা বা ত্বকে ফুসকুড়ির মতো লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকসময় আবার এটি পরিপাকতন্ত্রে সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।

এই গবেষণার জন্য, গবেষকরা দীর্ঘ সময় ধরে ৫,৩৭৪ জনকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা দেখেছেন সাধারণ খাবারে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। এটি ধূমপান বা ডায়াবেটিসের কারণে হওয়া হৃদরোগের ঝুঁকির চেয়েও বেশি।

এই গবেষণায়, IgE অ্যান্টিবডিগুলো নিয়ে গবেষণা করা হয়েছিল। দেখা গেছে, যাদের খাবারে অ্যালার্জি নেই, তারাও খাবার সংবেদনশীল হওয়ার কারণে, IgE অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিজ্ঞানীদের মতে, এই অ্যান্টিবডিগুলো কীভাবে হৃদরোগের কারণ হয় তা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন যারা গরুর দুধ হজম করতে পারেন না। পাশাপাশি, চিনাবাদাম এবং চিংড়ির অ্যালার্জিক বা হজম করতে না পারাও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। যারা খাবার সংবেদনশীল তারা IgE অ্যান্টিবডি তৈরি করে, কিন্তু তাদের পরিমাণ অ্যালার্জির চেয়ে কম। তাই মানুষ এই খাবারগুলো খেতে থাকে এই ভেবে যে এতে অ্যালার্জি হচ্ছে না। তবে এটি অজান্তেই কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নির্দিষ্ট খাবার হজম করতে সমস্যা হলে তা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।