ঢাকা২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থ বানিজ্য
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. এভিয়েশন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জব মার্কেট
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশবাংলা
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
বিজ্ঞাপন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নিহত

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৯, ২০২২ ১০:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের গুলিতে নয়ন মিয়া (১৮) নামে ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে উপজেলা সদরের মোল্লা বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ নয়ন উপজেলার চরশিবপুর এলাকার রহমত উল্লাহর ছেলে। তিনি উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন।

উপজেলা বিএনপি ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায় বিএনপির গণসমাবেশ হবে। গণসমাবেশ কেন্দ্র করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা সদর এলাকায় প্রচারপত্র বিলি করে। প্রচারপত্র বিতরণ শেষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি সায়েদুজ্জামান কামালের নেতৃত্বে উপজেলা সদরের মোল্লা বাড়ি থেকে মিছিল বের করে। মিছিল থেকে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বাজার, বাঞ্ছারামপুর থানা ও উপজেলা পরিষদ এলাকা অতিক্রম শেষে পুনরায় মোল্লা বাড়ির মসজিদের সামনে গিয়ে জড়ো হয়।

সেখানে বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলমের নেতৃত্বে পুলিশ জড়ো হয়। পুলিশ সেই সময় সায়েদুজ্জামান কামালকে আটক করতে যায়। তখন পুলিশের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি থেকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ সময় নয়ন পেটে গুলিবিব্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন বলেন, ‘নয়নকে উদ্ধার করে প্রথমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৭টা ২০ মিনিটে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক মো. হৃদয় আমাদের সময়কে বলেন, ‘নিহত ছাত্রদল নেতার মরদেহ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।’

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির দুই কর্মী রফিকুল ইসলাম (৪২) ও সাইদুর রহমান (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেলের সময় পুলিশের ৬ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম (৪১), পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্দি দে (৩২), উপ-পরিদর্শক আফজাল হোসেন (৩০), বিকিরণ চাকমা (৩২), কনস্টেবল শফিকুল ইসলাম (৩৩) ও বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাস (২৬)।’