ঢাকা২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থ বানিজ্য
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. এভিয়েশন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জব মার্কেট
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশবাংলা
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
বিজ্ঞাপন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপির আন্দোলন সব সময়ই শান্তিপূর্ণঃ খন্দকার মোশাররফ

জনবার্তা প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ২০, ২০২২ ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আমরা যখনই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেই, সরকার তখনই বলে আমরা নাকি ভায়োলেন্স করব। অথচ আওয়ামী লীগের আমলে রক্ষীবাহিনী তৈরি করে দেশের ২০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছিল। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শুরু করেছিল তারাই।

মঙ্গলবার জাতীয়তবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, ঢাকা বিভাগের সমাবেশ থেকে আমরা ১০ দফা দিয়েছিলাম। ১০ দফার মূলকথা ছিল- এই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। এই অবৈধ সংসদ বাতিল করতে হবে। এ দেশে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন হতে হবে। এ দেশের মানুষ যাতে নিজের হাতে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দমতো প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে। এ দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

‘বিএনপি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যে মোশারফ বলেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই। এই সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য বিভিন্নভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করছে। তাদের সত্যের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই এ ধরনের কথা বলে দেশের জনগণকে তারা বিভ্রান্ত করতে চায়। এরা গত ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে দিনের ভোট রাতে করে। গায়ের জোরে। এ দেশের রাষ্ট্র কাঠামো একটি একটি করে ধ্বংস করেছেন আওয়ামী লীগ।

তিনি আরো বলেন, ’৭২ থেকে ৭৫ এই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল। সে সময় তারা আমাদের মুক্তযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারা সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। এই দেশে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নামে তারা লুটপাটের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা করেছিল।

কাদের আমলে রক্ষী বাহিনী তৈরি করে দেশের ২০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছিল। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শুরু হয়েছিল কাদের আমলে- আওয়ামী লীগের আমলে বলে জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আমান উল্লাহ আমান বলেন, এ সরকার ১৪ ও ১৮ সালের মতো আরেকটি নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসতে চায় কিন্তু সেই আশায় গুড়ে বালি। আমরা বলতে চাই, ১৪ সাল এবং ১৮ সাল ভুলে যেতে হবে। এই বাংলাদেশে নির্বাচন হলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। সেটা যদি আপনি না করেন। তবে ৫২, ৬৯, ৯০ -এর মতো আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়ে নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে। তার অধীনে নির্বাচন হলে ইনশাল্লাহ জনগণের সরকার নির্বাচিত হবে। সেই সরকার হবে বিএনপি সরকার।

সভাপতির বক্তব্য মির্জা আফরোজা আব্বাস বলেন, ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগের বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। তারা সমাবেশকে বাঞ্চাল করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। এই সরকারের আমলে নারীরা বেশি নির্যাতিত হয়েছে। নারীরা কান্না করে গুম, খুন, গ্রেফতার হওয়া স্বামী-সন্তানদের জন্য। গুলি করে আমাদের ভাইদের হত্যা করছেন। আমাদেরকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা আর ভয় করি না।

নারী নেত্রীসহ গ্রেফতার হওয়া বিএনপির সকল নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন তিনি।

মহিলা দলের সভাপতি মির্জা আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানের সঞ্চালনায় বিএনপির গ্রেফতার হওয়া সকল নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় মহিলা দলের মানববন্ধনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেত্রী ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।