ঢাকা২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থ বানিজ্য
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. এভিয়েশন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জব মার্কেট
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশবাংলা
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
বিজ্ঞাপন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সমাবেশের আগের দিন কেন বিএনপিকে দূতাবাসে মিটিং করতে হয় : হানিফ

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুলাই ২৮, ২০২৩ ৫:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যেকোনো সমাবেশের আগের দিন বিএনপিকে কোনো না কোনো দূতাবাসে কেন মিটিং করতে হয়, সে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত ‘বিএনপি-জামায়াতের হত্যা, ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদ’ শীর্ষক সমাবেশে তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।

আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে ১/১১ স্বপ্ন যারা দেখে, তারা খেলছে। মুখে বলছেন মানবতা, গণতন্ত্রের কথা। তারা যখন সমাবেশ করেন, তার আগের দিন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মিটিং করে। কেন মিটিং করতে হয়? কারণ তারা বিদেশীদের দিয়ে খেলছে।

তিনি বলেন, যাদের নিয়ে আপনি যে খেলা খেলতে শুরু করেছেন, এই খেলা জনগণ খেলতে দেবে না।

হানিফ বলেন, বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যারা লড়াই সংগ্রাম করেছে, সেই ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আজ যখন জাতি আশা করছে আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে নির্বাচন হবে। ঠিক তখনই নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের শান্তি অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, আজ এই খুনির দলের ষড়যন্ত্র উপলব্ধি করতে পারছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের সময় যারা ষড়যন্ত্র করেছিল– বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কিছু মানুষ রাজাকার, আল বদর, আল শামস। আর তাদের মদদ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক একটি অপশক্তি, যাতে বাংলাদেশ স্বাধীন না হতে পারে। সেই আন্তর্জাতিক শক্তি খুনির দল বিএনপিকে মদদ দিচ্ছে। আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে প্রস্তুতি নিয়েছে। এই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চরিত্র যদি আমরা বিশ্লেষণ করি দেখবেন, তারেক রহমান কিশোর বয়সে বাপের আলমারি ভেঙে টাকা চুরি করেছিল। স্কুলজীবনে নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হয়েছিল তারেক রহমান। তার কারণে তাকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ভিন্ন জায়গা থেকে এসএসসি পাস করে। বাংলাদেশের মানুষ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যায়। কিন্তু তারেক রহমান ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ গিয়ে নকল করে এসএসসি পাস করে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারেক রহমান হাওয়া ভবন থেকে বিকল্প সরকার পরিচালনা করত। এসময় সে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করেছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদেশ থেকে সেই টাকা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে।

মির্জা আজম বলেন, এই তারেকের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে কানাডার আদালত তাদের একটি রায়ে দলটিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী হত্যা করা হয়েছে। আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা করেছিল তারেক রহমান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিদের উত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারেক রহমান। পাকিস্তান রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার জন্য সে ষড়যন্ত্র করেছিল। বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে অস্থিরতা তৈরি করার জন্য সেখানের সন্ত্রাসীদের জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল। আজ সে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছে, তার সব কর্মসূচি সন্ত্রাসী কর্মসূচি।